Authors

ড. হালিমা সাদিয়া খান ও ড. এম. সাইফুল ইসলাম


পূর্ণ নাম—মু. আবুল হাশেম খান। জন্ম : ১৯৪১ চাঁদপুর। বাংলাদেশ চারুকলা ইনস্টিটিউটে যার দীর্ঘদিন অধ্যাপনার অভিজ্ঞতা; ১৯৬৩ থেকে বর্তমান পর্যন্ত। চারুকলা বিকাশের আন্দোলনে ও প্রগতিশীল সংস্কৃতিকচর্চার পরিবেশে সৃষ্টির আন্দোলনে তিনি সর্বদা সক্রিয় এবং সংগঠকের ভূমিকায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। রুচিস্নিগ্ধ ও সুশোভন পুস্তক প্রকাশনায় তাঁর বিশেষ অবদান রয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় দুই হাজার বইয়ের ছবি এঁকেছেন। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশে সরকারের সংবিধান গ্রন্থের প্রধান শিল্পী। ১৯৬১ সাল থেকে...


বাংলাদেশের আধ্যাত্মিক হৃদয় শ্রীভূমির মরমী মৃত্তিকার এক খ্যাতিমান সন্তান হাসন রাজা (১৮৫৫-১৯২২)। শীতালং শাহ, আরকুম শাহ, রাধারমণ শেখ ভানু—এইসম মরমী মহাজন তাঁদের সংগীতের সুবাদে যে মরমী ভাবজগৎ নির্মাণ করেছেন, হাসন রাজা সেই ভুবনের এক উজ্জ্বল নক্ষত্র। তাঁর মরমী গানের ভেতর দিয়ে যে গভীর দর্শন-চেতনা প্রতিফলিত, তা রবীন্দ্রনাথের মতো মনীষীরও সংগ্রহ মনোযোগ লাভে সক্ষম হয়েছে।

হাসন রাজার চিন্তা-চেতনা ও মানস-ভাবনার অন্তরঙ্গ পরিচয় রয়েছে তাঁর গানে। তিনি কতো গান...


হাসনাত আবদুল হাই (জ. ১৯৩৯)। ঢাকা, ওয়াশিংটন, লন্ডন ও কেমব্রিজে লেখাপড়া করেন। অধ্যাপনা দিয়ে চাকুরি জীবন শুরু। তারপর সিভিল সার্ভিসে থেকে সরকারি বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেন ও ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ সরকারে সচিব পদ থেকে অবসর লাভ করেন। প্রকাশিত গল্প গ্রন্থের সংখ্যা চার, উপন্যাস বাইশ, ভ্রমণ কাহিনী ছয় এবং প্রবন্ধ দুই। তিনি মূলত ঔপন্যাসিক ও ভ্রমণ কাহিনীকার হিসাবে খ্যাতি অর্জন করেন। প্রাপ্ত পুরস্কারের মধ্যে রয়েছে, বাংলা একাডেমী, অলক্ত সাহিত্য, আচার্য্য জগদীশ চন্দ্র, মওলানা আকরাম খা,...